ঢাকা , শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ৫টি মন্দিরে হামলা, ১১টি মূর্তি ভাংচুর

কাজী তানভীর মাহমুদ-রাজবাড়ী টুডে: রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের চরকাচরন্দ গ্রামের হিন্দু পল্লীর ৫টি মন্দিরে হামলা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা।এ সময়  ১১টি শীব ও কালি মূর্তি ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় এখন ঐ হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (২৯নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন,রাজবাড়ী পুলিশ সুপার সালমা বেগম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম,সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আছাদুজ্জামান আছাদ,গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মীর্জা আবুল কালাম আজাদ,গোয়ালন্দ ছোট ভাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদ হোসেন।

ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন,ছোট ভাকলা ইউনিয়নের চর কাচরন্দ গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের হিন্দু পল্লীর বাসিন্দা,সমর শীল,পালন কর্মকার,মন্টু কুমার শীল,পার্থ বরণ দাস,রতন কর্মকার।

ক্ষতিগ্রস্থরা জানান,রাতের কোন এক সময়ে র্দূবৃত্তরা তাদের এলাকায় হানা দিয়ে ৫টি মন্দিরে হামলা চালায়।মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা শীব ও কালি মূর্তিগুলো তারা ভাংচুর করে এলাকায় আতঙ্ক ছরিয়েছে।

হিন্দু-বৈদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ গোয়ালন্দ শাখার সভাপতি নির্মল কুমার চক্রবর্তী জানান, গোয়ালন্দে হিন্দু পল্লীতে মূর্তি ভাংচুরের ঘটনাটি লজ্জাসকর।এই এলাকায় হিন্দু মুসলিম সবাই ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে।এটি একটি চক্রান্ত।ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড।তবে এটা কোন সা¤্রদায়িক হামলা নয়। প্রশাসনের কাছে তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।

ছোট ভাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন,এমন ঘটনা এর আগে
কখনও এই এলাকাতে ঘটেনি।তবে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয়দের কে সাথে নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার সালমা বেগম ক্ষতিগ্রস্থ মন্দিরগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কে জানান,হামলার ঘটনাটি অতান্ত্য দুঃখ জনক।দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন,পুলিশ জনগনের বন্ধু।তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের কে সাহস দেন যেন তারা কোন প্রকারের আশংকা থেকে ভীত না হন।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ৫টি মন্দিরে হামলা, ১১টি মূর্তি ভাংচুর

আপডেটের সময় : ০১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৬

কাজী তানভীর মাহমুদ-রাজবাড়ী টুডে: রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের চরকাচরন্দ গ্রামের হিন্দু পল্লীর ৫টি মন্দিরে হামলা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা।এ সময়  ১১টি শীব ও কালি মূর্তি ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় এখন ঐ হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (২৯নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন,রাজবাড়ী পুলিশ সুপার সালমা বেগম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম,সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আছাদুজ্জামান আছাদ,গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মীর্জা আবুল কালাম আজাদ,গোয়ালন্দ ছোট ভাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদ হোসেন।

ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন,ছোট ভাকলা ইউনিয়নের চর কাচরন্দ গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের হিন্দু পল্লীর বাসিন্দা,সমর শীল,পালন কর্মকার,মন্টু কুমার শীল,পার্থ বরণ দাস,রতন কর্মকার।

ক্ষতিগ্রস্থরা জানান,রাতের কোন এক সময়ে র্দূবৃত্তরা তাদের এলাকায় হানা দিয়ে ৫টি মন্দিরে হামলা চালায়।মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা শীব ও কালি মূর্তিগুলো তারা ভাংচুর করে এলাকায় আতঙ্ক ছরিয়েছে।

হিন্দু-বৈদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ গোয়ালন্দ শাখার সভাপতি নির্মল কুমার চক্রবর্তী জানান, গোয়ালন্দে হিন্দু পল্লীতে মূর্তি ভাংচুরের ঘটনাটি লজ্জাসকর।এই এলাকায় হিন্দু মুসলিম সবাই ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে।এটি একটি চক্রান্ত।ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড।তবে এটা কোন সা¤্রদায়িক হামলা নয়। প্রশাসনের কাছে তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।

ছোট ভাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন,এমন ঘটনা এর আগে
কখনও এই এলাকাতে ঘটেনি।তবে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয়দের কে সাথে নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার সালমা বেগম ক্ষতিগ্রস্থ মন্দিরগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কে জানান,হামলার ঘটনাটি অতান্ত্য দুঃখ জনক।দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন,পুলিশ জনগনের বন্ধু।তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের কে সাহস দেন যেন তারা কোন প্রকারের আশংকা থেকে ভীত না হন।