ঢাকা , রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

বালিয়াকান্দির জামালপুরে বাঁশ দিয়ে তৈরি দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করলেন এসপি

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: অষ্টমী পূজার দিনে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শন করেন  পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম।

এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলামসহ বালিয়াকান্দির জামালপুরে  জেলার ব্যতিক্রমধর্মী মন্দির পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার। পরিদর্শনের সময় তিনি বাঁশ দিয়ে নির্মিত এই ব্যতিক্রমী এই মন্দিরের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

এসপি বলেন, যেহেতু মন্দির টি সম্পূূর্ণ বাঁশ দিয়ে নির্মিত তাই এর ধারণ ক্ষমতা কেমন এটা জানার জন্য তিনি এখানে এসেছেন।

এসময় পুলিশ সুপার বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইন-চার্জকে বলেন, ‘নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশিগুরুত্ব দিবেন।’ নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের কঠোর ভুমিকা পালনেরনির্দেশ দেন রাজবাড়ী জেলা পুলিশ প্রধান। তিনি বলেন, মন্দিরে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে  বেশি দর্শনার্থী যেনো একসাথে  উঠতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভবিষৎতের কথা মাথায় রেখে তিনি গ্রাম জামালপুর মন্দির কমিটিকে বলেন, ‘যেহেতু প্রতি বছর এখানে বড় পরিসরে পূজা করে থাকেন সেক্ষেত্রে বাঁশের পরিবর্তে কনক্রিট দিয়ে মন্দির নির্মাণের বিষয়টি মাথায় রাখবেন।’

রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলাম বলেন,  নির্মানের শুরু থেকে এই মন্দিরের খোঁজ রাখছে পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি পুলিশ সহ সেচ্ছাসেবীদদের সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন, কেউ যেন কোন গুজব সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পুলিশ সুপারের প্রসংশা করে গ্রাম জামালপুর মন্দিরের সাধারন সম্পাদক বলেন, দেশে জঙ্গিবাদের মধ্যে তিনি রাজবাড়ীতে যে ভুমিকা রাখছেন সেটা চিরস্মরনীয়। তিনি আরো বলেন,এখানে প্রায় তিন-চার লক্ষ লোক হয়, যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন ব্যাপার। কিন্তু সেটা পুলিশ সুপার সঠিকভাবে করে যাচ্ছেন।

রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের বিশেষ নজরদারির মধ্যে গ্রাম জামালপুরের এই ব্যাতিক্রমধর্মী মন্দিরে ১২ জন পুলিশ এবং ৪৫ জন আনছার ও ভিডিপির সদস্য সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।

 

 

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

বালিয়াকান্দির জামালপুরে বাঁশ দিয়ে তৈরি দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করলেন এসপি

আপডেটের সময় : ১১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০১৬

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: অষ্টমী পূজার দিনে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শন করেন  পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম।

এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলামসহ বালিয়াকান্দির জামালপুরে  জেলার ব্যতিক্রমধর্মী মন্দির পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার। পরিদর্শনের সময় তিনি বাঁশ দিয়ে নির্মিত এই ব্যতিক্রমী এই মন্দিরের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

এসপি বলেন, যেহেতু মন্দির টি সম্পূূর্ণ বাঁশ দিয়ে নির্মিত তাই এর ধারণ ক্ষমতা কেমন এটা জানার জন্য তিনি এখানে এসেছেন।

এসময় পুলিশ সুপার বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইন-চার্জকে বলেন, ‘নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশিগুরুত্ব দিবেন।’ নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের কঠোর ভুমিকা পালনেরনির্দেশ দেন রাজবাড়ী জেলা পুলিশ প্রধান। তিনি বলেন, মন্দিরে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে  বেশি দর্শনার্থী যেনো একসাথে  উঠতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভবিষৎতের কথা মাথায় রেখে তিনি গ্রাম জামালপুর মন্দির কমিটিকে বলেন, ‘যেহেতু প্রতি বছর এখানে বড় পরিসরে পূজা করে থাকেন সেক্ষেত্রে বাঁশের পরিবর্তে কনক্রিট দিয়ে মন্দির নির্মাণের বিষয়টি মাথায় রাখবেন।’

রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলাম বলেন,  নির্মানের শুরু থেকে এই মন্দিরের খোঁজ রাখছে পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি পুলিশ সহ সেচ্ছাসেবীদদের সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন, কেউ যেন কোন গুজব সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পুলিশ সুপারের প্রসংশা করে গ্রাম জামালপুর মন্দিরের সাধারন সম্পাদক বলেন, দেশে জঙ্গিবাদের মধ্যে তিনি রাজবাড়ীতে যে ভুমিকা রাখছেন সেটা চিরস্মরনীয়। তিনি আরো বলেন,এখানে প্রায় তিন-চার লক্ষ লোক হয়, যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন ব্যাপার। কিন্তু সেটা পুলিশ সুপার সঠিকভাবে করে যাচ্ছেন।

রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের বিশেষ নজরদারির মধ্যে গ্রাম জামালপুরের এই ব্যাতিক্রমধর্মী মন্দিরে ১২ জন পুলিশ এবং ৪৫ জন আনছার ও ভিডিপির সদস্য সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।