ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

বালিয়াকান্দির নটাপাড়ায় মার্কসীট এবং প্রসংশাপত্রের নামে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ।

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৬
  • ৯০ ভিউয়ের সময়

 বিশেষ প্রতিনিধি, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নটাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নম্বরপত্র এবং প্রসংশা পত্রের বিনিময়ে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, একটি পরীক্ষার জন্য যাবতীয় ফি প্রদানের পর ছাত্র-ছাত্রীরা চুড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়। কৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীদের যখন নম্বরপত্র, সনদপত্র এবং বিদ্যালয়ের প্রধানের শিক্ষকের প্রসংশা পত্রের প্রয়োজন হয় তখন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন ছাত্র অভিযোগ করেন , নম্বরপত্র বা সনদপত্রের জন্য শিক্ষকরা কোন রশিদ প্রদান করেন না। তাঁরা বলেন, ‘এটা চা-পান খাবার জন্য খুশি হয়ে নিয়ে থাকি’। শিক্ষার্থীরা, শিক্ষকদের ভয়ে এই অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করে থাকেন বলে জানিয়েছেন আরো কয়েক জন  শিক্ষার্থী।

আজ প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত একটি বেতন আদায়ের রশিদে দেখা যায়, এসএসসি এর নম্বরপত্র এবং প্রসংশা পত্র বাবদ দুই শত টাকা, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বাবদ একশত টাকা এবং নম্বরপত্র বাবদ পঞ্চাশ টাকা মোট তিনশত পঞ্চাশ টাকা করে অর্থ আদায় করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ সবাই এই টাকা নয়, আমরাও নিচ্ছি। বরং আমরা আরও কম নিচ্ছি।’

অর্থ আদায়ের প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, নটাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যদি এমনটি করে থাকেন তবে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এদিকে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একটি সমাবেশে প্রধান শিক্ষকদের ব্যাপক সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন শিক্ষার্থীদের যত্নন নিতে হবে। সেইসাথে সরকারি আইন মান্য করতে হবে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

বালিয়াকান্দির নটাপাড়ায় মার্কসীট এবং প্রসংশাপত্রের নামে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ।

আপডেটের সময় : ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৬

 বিশেষ প্রতিনিধি, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নটাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নম্বরপত্র এবং প্রসংশা পত্রের বিনিময়ে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, একটি পরীক্ষার জন্য যাবতীয় ফি প্রদানের পর ছাত্র-ছাত্রীরা চুড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়। কৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীদের যখন নম্বরপত্র, সনদপত্র এবং বিদ্যালয়ের প্রধানের শিক্ষকের প্রসংশা পত্রের প্রয়োজন হয় তখন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন ছাত্র অভিযোগ করেন , নম্বরপত্র বা সনদপত্রের জন্য শিক্ষকরা কোন রশিদ প্রদান করেন না। তাঁরা বলেন, ‘এটা চা-পান খাবার জন্য খুশি হয়ে নিয়ে থাকি’। শিক্ষার্থীরা, শিক্ষকদের ভয়ে এই অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করে থাকেন বলে জানিয়েছেন আরো কয়েক জন  শিক্ষার্থী।

আজ প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত একটি বেতন আদায়ের রশিদে দেখা যায়, এসএসসি এর নম্বরপত্র এবং প্রসংশা পত্র বাবদ দুই শত টাকা, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বাবদ একশত টাকা এবং নম্বরপত্র বাবদ পঞ্চাশ টাকা মোট তিনশত পঞ্চাশ টাকা করে অর্থ আদায় করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ সবাই এই টাকা নয়, আমরাও নিচ্ছি। বরং আমরা আরও কম নিচ্ছি।’

অর্থ আদায়ের প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, নটাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যদি এমনটি করে থাকেন তবে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এদিকে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একটি সমাবেশে প্রধান শিক্ষকদের ব্যাপক সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন শিক্ষার্থীদের যত্নন নিতে হবে। সেইসাথে সরকারি আইন মান্য করতে হবে।