ঢাকা , বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

নোয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু দুর্গা প্রতিমা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ১৮৫ ভিউয়ের সময়

রাজবাড়ী টুডে ডট কম: সাততলা একটি ভবনের সমান তার উচ্চতা। বাঁশ, খড়, কাঠ আর লোহার রড দিয়ে বানানো হয়েছে প্রাথমিক কাঠামো। এরপর কাদামাটির প্রলেপ। কয়েক স্তর লেপে শুকানোর পর, তাতে দেয়া হয়েছে সিমেন্টের আস্তর।

প্রায় পাঁচ মাস ধরে কাজ করার পর ৭১ ফুট উচ্চতার দেবী দুর্গার কাঠামো বানানো এখন শেষের পর্যায়ে।

বলা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের উচ্চতম দুর্গা প্রতিমা। বানাচ্ছে নোয়াখালীর চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দির। আর তাদের দাবীকে সমর্থনই করলেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটিও। কমিটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে এত উচু প্রতিমা এর আগে আর কখনো বানানো হয়নি।

গনেশ
দুর্গার সাথে সামঞ্জস্য রেখে অন্য প্রতিমাগুলোও বড় আকারের বানানো হয়েছে

চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তাপস সাহা  জানিয়েছেন, নতুন কিছু করার প্রয়াস থেকে এমন বড় আকৃতির প্রতিমা গড়ার ভাবনা।

শুধু যে দুর্গার উচ্চতাই বেশি এমন নয়। দুর্গার সাথে সামঞ্জস্য রেখে অন্য প্রতিমাগুলোও বড় আকারের বানানো হয়েছে।

যেমন লক্ষ্মীর উচ্চতা ৪৫ ফুট, সরস্বতী ৪০ ফুট, গণেশ ৩৫ ফুট এবং কার্তিকের উচ্চতা ৩০ ফুট করা হয়েছে। আর এই বিশালাকৃতির পুজামঞ্চ তৈরিতে খরচ হচ্ছে ৩৫ লক্ষ টাকা।

অক্টোবরের পাঁচ তারিখে উদ্বোধন হবে প্রতিমার

ইতিমধ্যেই প্রতিমা মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দিরের পুকুরের মাঝখানে। প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা করে রাতদিন খাটছেন ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি বাহিনী।

কেউ ঘষে মসৃণ করছেন দশভুজা প্রতিমার অবয়বের নানান অংশ। কেউ রং করছেন। কেউ বা প্রতিমার গায়ের আনুষঙ্গিকের খুঁটিনাটি মিলিয়ে নিচ্ছেন মূল নকশার সঙ্গে।

মে মাসের মাঝামাঝি কাজ শুরু করেন মৃৎশিল্পী অমল পাল। অক্টোবরের পাঁচ তারিখে উদ্বোধনের আগে প্রতিমার গায়ে পরিয়ে দেয়া হবে নানারকম গয়না।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

নোয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু দুর্গা প্রতিমা

আপডেটের সময় : ০২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

রাজবাড়ী টুডে ডট কম: সাততলা একটি ভবনের সমান তার উচ্চতা। বাঁশ, খড়, কাঠ আর লোহার রড দিয়ে বানানো হয়েছে প্রাথমিক কাঠামো। এরপর কাদামাটির প্রলেপ। কয়েক স্তর লেপে শুকানোর পর, তাতে দেয়া হয়েছে সিমেন্টের আস্তর।

প্রায় পাঁচ মাস ধরে কাজ করার পর ৭১ ফুট উচ্চতার দেবী দুর্গার কাঠামো বানানো এখন শেষের পর্যায়ে।

বলা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের উচ্চতম দুর্গা প্রতিমা। বানাচ্ছে নোয়াখালীর চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দির। আর তাদের দাবীকে সমর্থনই করলেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটিও। কমিটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে এত উচু প্রতিমা এর আগে আর কখনো বানানো হয়নি।

গনেশ
দুর্গার সাথে সামঞ্জস্য রেখে অন্য প্রতিমাগুলোও বড় আকারের বানানো হয়েছে

চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তাপস সাহা  জানিয়েছেন, নতুন কিছু করার প্রয়াস থেকে এমন বড় আকৃতির প্রতিমা গড়ার ভাবনা।

শুধু যে দুর্গার উচ্চতাই বেশি এমন নয়। দুর্গার সাথে সামঞ্জস্য রেখে অন্য প্রতিমাগুলোও বড় আকারের বানানো হয়েছে।

যেমন লক্ষ্মীর উচ্চতা ৪৫ ফুট, সরস্বতী ৪০ ফুট, গণেশ ৩৫ ফুট এবং কার্তিকের উচ্চতা ৩০ ফুট করা হয়েছে। আর এই বিশালাকৃতির পুজামঞ্চ তৈরিতে খরচ হচ্ছে ৩৫ লক্ষ টাকা।

অক্টোবরের পাঁচ তারিখে উদ্বোধন হবে প্রতিমার

ইতিমধ্যেই প্রতিমা মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দিরের পুকুরের মাঝখানে। প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা করে রাতদিন খাটছেন ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি বাহিনী।

কেউ ঘষে মসৃণ করছেন দশভুজা প্রতিমার অবয়বের নানান অংশ। কেউ রং করছেন। কেউ বা প্রতিমার গায়ের আনুষঙ্গিকের খুঁটিনাটি মিলিয়ে নিচ্ছেন মূল নকশার সঙ্গে।

মে মাসের মাঝামাঝি কাজ শুরু করেন মৃৎশিল্পী অমল পাল। অক্টোবরের পাঁচ তারিখে উদ্বোধনের আগে প্রতিমার গায়ে পরিয়ে দেয়া হবে নানারকম গয়না।

সূত্র: বিবিসি বাংলা