ঢাকা , শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

কৃতি শিক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞানে ক্ষুব্ধ বালিয়াকান্দির ইউএনও, শিক্ষকদের সমালোচনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৪২৫ ভিউয়ের সময়

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলায় কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বালিয়াকান্দি উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কঠোর সমালোচনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম রাকিব হায়দায়।

রবিবার এই অনুষ্ঠানে, বক্তব্যের শুরুতেই হলরুমে শিক্ষার্থীদের মাধ্যে সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে বৃত্তি প্রাপ্ত দশজন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র তিনজন সঠিক উত্তর দিতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একে একে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থী এবং মাধ্যমিক পাশ করা শিক্ষার্থীদের মাঝে নিজেই প্রশ্ন করে হতবাক হন।

এরপর তিনি মঞ্চে এসে বলেন, আপনাদের শিক্ষার্থীর অবস্থা এমন কেন? এর জন্য আপনারাই দায়ী। তিনি আরো বলেন, আমি কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে হতবাক হয়েছে প্রধান শিক্ষকরা এসে বলে স্যার আমার বিদ্যালয়ে সবচেয়ে বড় ফান্ড আছে, আমার বিদ্যালয়ে নয়শত ছাত্র-ছাত্রী আছে।

নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আপনার বিদ্যালয়ে কত জন শিক্ষার্থী এ প্লাস পেয়েছে, উত্তরে প্রধান শিক্ষক বলেন নয় জন। তিনি বলেন এতে আপনাদের কৃতিত্বের কিছু নেই। আপনাদের এই বড় অর্থের ফান্ড যদি শিক্ষার্থীদের কোন কাজে না আসে তবে এতে কোন লাভ নেই। তিনি শিক্ষকদের পোশাকের গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, বছরে আপনারা দুই ধরনের পোশাক পড়তে পারবেন এবং সেটা আপনাদের করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, লাল রংঙ্গের টিশার্ট পরে শিক্ষক কোন রুচিতে বিদ্যালয়ে পাঠদান করতে আসে এটা কোন ভদ্রতা ? তবে তিনি ধর্মীয় শিক্ষদের পোশাকের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, আপনারা কেন টিউটোরিয়াল পরীক্ষা নিচ্ছেন না? এতে আপনাদের আপত্তি কোথায়? নিবার্হী কর্মকর্তার বক্তব্যের সময় অনেক প্রধান শিক্ষকদের মাথা নিচু করে রাখতে দেখা যায়।

বালিয়াকান্দি শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুদর্শন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আজ প্রধান শিক্ষকদের উদ্যেশে এসব কথা বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

কৃতি শিক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞানে ক্ষুব্ধ বালিয়াকান্দির ইউএনও, শিক্ষকদের সমালোচনা

আপডেটের সময় : ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলায় কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বালিয়াকান্দি উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কঠোর সমালোচনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম রাকিব হায়দায়।

রবিবার এই অনুষ্ঠানে, বক্তব্যের শুরুতেই হলরুমে শিক্ষার্থীদের মাধ্যে সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে বৃত্তি প্রাপ্ত দশজন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র তিনজন সঠিক উত্তর দিতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একে একে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থী এবং মাধ্যমিক পাশ করা শিক্ষার্থীদের মাঝে নিজেই প্রশ্ন করে হতবাক হন।

এরপর তিনি মঞ্চে এসে বলেন, আপনাদের শিক্ষার্থীর অবস্থা এমন কেন? এর জন্য আপনারাই দায়ী। তিনি আরো বলেন, আমি কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে হতবাক হয়েছে প্রধান শিক্ষকরা এসে বলে স্যার আমার বিদ্যালয়ে সবচেয়ে বড় ফান্ড আছে, আমার বিদ্যালয়ে নয়শত ছাত্র-ছাত্রী আছে।

নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আপনার বিদ্যালয়ে কত জন শিক্ষার্থী এ প্লাস পেয়েছে, উত্তরে প্রধান শিক্ষক বলেন নয় জন। তিনি বলেন এতে আপনাদের কৃতিত্বের কিছু নেই। আপনাদের এই বড় অর্থের ফান্ড যদি শিক্ষার্থীদের কোন কাজে না আসে তবে এতে কোন লাভ নেই। তিনি শিক্ষকদের পোশাকের গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, বছরে আপনারা দুই ধরনের পোশাক পড়তে পারবেন এবং সেটা আপনাদের করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, লাল রংঙ্গের টিশার্ট পরে শিক্ষক কোন রুচিতে বিদ্যালয়ে পাঠদান করতে আসে এটা কোন ভদ্রতা ? তবে তিনি ধর্মীয় শিক্ষদের পোশাকের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, আপনারা কেন টিউটোরিয়াল পরীক্ষা নিচ্ছেন না? এতে আপনাদের আপত্তি কোথায়? নিবার্হী কর্মকর্তার বক্তব্যের সময় অনেক প্রধান শিক্ষকদের মাথা নিচু করে রাখতে দেখা যায়।

বালিয়াকান্দি শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুদর্শন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আজ প্রধান শিক্ষকদের উদ্যেশে এসব কথা বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।