ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

বালিয়াকান্দিতে বাঁশ দিয়ে নির্মিত ব্যতিক্রম ধর্মী দূর্গা মন্দির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩৪৯ ভিউয়ের সময়

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: শরতের আকাশ এবং বাতাসের দোলা দেওয়া কাশফুল জানান দেয় সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজার ক্ষন গননা। এবারে দেবী দূর্গা ঘোড়ায় আসবেন এবং একই ভাবে আবার মর্তে চলে যাবেন। দেবী দূর্গাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজবাড়ী জেলার পূজারীরা।

জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুরে ভিন্ন আঙ্গিকে মন্দির নির্মান করছেন গোবিন্দ বিশ্বাস। তিনি বলেন, এক একর পুকুরের উপর পাঁচ হাজার বাঁশ দিয়ে জল থেকে ৬০ ফুট উচু এবং ১৫০ ফুট দৈঘ্যের মন্দির নির্মান করছেন। তিনি বলেন, চার তলা বিশিষ্ট মন্দিরে ২০১ টি প্রতিমা স্থাপন করে রামায়ন-মহাভারত এবং স্বর্গ-নরকের আলোকে ফুটিয়ে তোলা হবে।

বাঁশ দিয়ে মন্দির নির্মানের প্রধান কারিগর জ্ঞানেন্দ্র নাথ মন্ডল বলেন, আমরা ত্রিশ জন শ্রমিক প্রায় চার মাস ধরে এখানে কাজ করে প্রায় শেষের পথে চলে এসেছি। তিনি আরো বলেন, এই মন্দির উপমহাদেশের সেরা মন্দির।

জামালপুর পূজা কমিটির সাধারন সম্পাদক বিধান কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আমরা ভিন্ন আঙ্গিকে দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখেই এই চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, গতবার থেকে এখানে ভক্তদের আগমন বেশি ঘটবে।’

পূজার নিরাপত্তা নিয়ে বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ-ওসি জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম বলেন, বালিয়াকান্দিতে আসন্ন দূর্গা পূজা উপলক্ষে নিঃছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে। তিনি আরো বলেন, ‘যেহেতু গোবিন্দ বিশ্বাসের বাড়ী ৩-৪ লক্ষ ভক্তদের আগমন ঘটে সেহেতু এখানে আদালা করে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করছি।’

কুষ্টিয়া থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, প্রতি বছর এখানে পূজা দেখতে আসি কিন্তু এই স্থাপনা কিভাবে নির্মান করা হয় সেটা দেখার জন্য আজ পরিবারের সবাই মিলে এখানে এসেছি। তিনি বলেন সত্যি একটি অকল্পনীয় বিষয় এখানে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

বালিয়াকান্দিতে বাঁশ দিয়ে নির্মিত ব্যতিক্রম ধর্মী দূর্গা মন্দির

আপডেটের সময় : ০১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী টুডে ডট কম: শরতের আকাশ এবং বাতাসের দোলা দেওয়া কাশফুল জানান দেয় সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজার ক্ষন গননা। এবারে দেবী দূর্গা ঘোড়ায় আসবেন এবং একই ভাবে আবার মর্তে চলে যাবেন। দেবী দূর্গাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজবাড়ী জেলার পূজারীরা।

জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুরে ভিন্ন আঙ্গিকে মন্দির নির্মান করছেন গোবিন্দ বিশ্বাস। তিনি বলেন, এক একর পুকুরের উপর পাঁচ হাজার বাঁশ দিয়ে জল থেকে ৬০ ফুট উচু এবং ১৫০ ফুট দৈঘ্যের মন্দির নির্মান করছেন। তিনি বলেন, চার তলা বিশিষ্ট মন্দিরে ২০১ টি প্রতিমা স্থাপন করে রামায়ন-মহাভারত এবং স্বর্গ-নরকের আলোকে ফুটিয়ে তোলা হবে।

বাঁশ দিয়ে মন্দির নির্মানের প্রধান কারিগর জ্ঞানেন্দ্র নাথ মন্ডল বলেন, আমরা ত্রিশ জন শ্রমিক প্রায় চার মাস ধরে এখানে কাজ করে প্রায় শেষের পথে চলে এসেছি। তিনি আরো বলেন, এই মন্দির উপমহাদেশের সেরা মন্দির।

জামালপুর পূজা কমিটির সাধারন সম্পাদক বিধান কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আমরা ভিন্ন আঙ্গিকে দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখেই এই চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, গতবার থেকে এখানে ভক্তদের আগমন বেশি ঘটবে।’

পূজার নিরাপত্তা নিয়ে বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ-ওসি জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম বলেন, বালিয়াকান্দিতে আসন্ন দূর্গা পূজা উপলক্ষে নিঃছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে। তিনি আরো বলেন, ‘যেহেতু গোবিন্দ বিশ্বাসের বাড়ী ৩-৪ লক্ষ ভক্তদের আগমন ঘটে সেহেতু এখানে আদালা করে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করছি।’

কুষ্টিয়া থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, প্রতি বছর এখানে পূজা দেখতে আসি কিন্তু এই স্থাপনা কিভাবে নির্মান করা হয় সেটা দেখার জন্য আজ পরিবারের সবাই মিলে এখানে এসেছি। তিনি বলেন সত্যি একটি অকল্পনীয় বিষয় এখানে।