ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

ঈদ ছুটিতে প্রাণ গেলো ১০৩ জনের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩৪৫ ভিউয়ের সময়

রাজবাড়ী টুডে ডট কম:ঈদুল আজহার ছুটিতে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০৩ জন নিহত ও ৪২৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতের তালিকায় ৯ জন নারী ও ১৩টি শিশু রয়েছে।

এসব তথ্য জানা গেছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে করা এক তাৎক্ষণিক জরিপে। শনিবার সংগঠনটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ জরিপ তথ্য প্রকাশ করে। বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, অনলাইন নিউজপোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর পর্যবেক্ষণ চালিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। সরকার নির্বাহী আদেশে ১১ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস ছিলো ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। সেই হিসাবে কার্যত পরেরদিন ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থেকেই শুরু হয় ঈদের টানা ছুটি। ওইদিন সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ চারজন নিহত হয় ও ৯৪ জন আহত হয়। ১০ সেপ্টেম্বর ২২ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হন। নিহতের মধ্যে এক নারী ও এক শিশু রয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর নিহত ও আহত হয়েছে যথাক্রমে ৯ জন ও ৪৪ জন। নিহতের তালিকায় এক নারী ও দুই শিশু রয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর এক নারী ও এক শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩৯ জন। ১৩ সেপ্টেম্বর নিহত ও আহত হয়েছে যথাক্রমে ১০ জন ও ১৭ জন। নিহতের মধ্যে রয়েছে দুই নারী ও তিন শিশু। ১৪ সেপ্টেম্বর চার নারী ও তিন শিশুসহ নিহত হয়েছে ১৯ জন; আহত হয়েছে ৫১ জন। ১৫ সেপ্টেম্বর ছয়জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে এক শিশু রয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর নিহত হয়েছে ২৩ জন; যার মধ্যে রয়েছে এক শিশু। আর এদিন আহত হয়েছে ১১৩ জন।

জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে পাঁচটি প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঈদে বিভিন্ন মহাসড়ক ও ফেরিঘাটে তীব্র যানজটের কারণে ব্যয় হওয়ায় ফাঁকা রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টার কথা বলা হয়। এর পাশাপাশি দীর্ঘ ছুটির কারণে সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালনে উদাসিনতাকেও দায়ী করে জাতীয় কমিটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের বারবার তাগিদের কারণে চালকের অন্যমনষ্কতা ও অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দিতে বাড়তি ট্রিপ দেয়ার কারণে চালকের সাময়িক শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্যহীনতাও দায়ী ছিল সড়ক দুর্ঘটনায়। তাছাড়া দ্রুত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ওভারটেকিংয়ের ক্ষেত্রে চালকদের মাঝে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করার প্রবণতাকে দায়ী করা হয় তাৎক্ষণিক জরিপে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

ঈদ ছুটিতে প্রাণ গেলো ১০৩ জনের

আপডেটের সময় : ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

রাজবাড়ী টুডে ডট কম:ঈদুল আজহার ছুটিতে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০৩ জন নিহত ও ৪২৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতের তালিকায় ৯ জন নারী ও ১৩টি শিশু রয়েছে।

এসব তথ্য জানা গেছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে করা এক তাৎক্ষণিক জরিপে। শনিবার সংগঠনটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ জরিপ তথ্য প্রকাশ করে। বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, অনলাইন নিউজপোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর পর্যবেক্ষণ চালিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। সরকার নির্বাহী আদেশে ১১ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস ছিলো ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। সেই হিসাবে কার্যত পরেরদিন ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থেকেই শুরু হয় ঈদের টানা ছুটি। ওইদিন সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ চারজন নিহত হয় ও ৯৪ জন আহত হয়। ১০ সেপ্টেম্বর ২২ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হন। নিহতের মধ্যে এক নারী ও এক শিশু রয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর নিহত ও আহত হয়েছে যথাক্রমে ৯ জন ও ৪৪ জন। নিহতের তালিকায় এক নারী ও দুই শিশু রয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর এক নারী ও এক শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩৯ জন। ১৩ সেপ্টেম্বর নিহত ও আহত হয়েছে যথাক্রমে ১০ জন ও ১৭ জন। নিহতের মধ্যে রয়েছে দুই নারী ও তিন শিশু। ১৪ সেপ্টেম্বর চার নারী ও তিন শিশুসহ নিহত হয়েছে ১৯ জন; আহত হয়েছে ৫১ জন। ১৫ সেপ্টেম্বর ছয়জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে এক শিশু রয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর নিহত হয়েছে ২৩ জন; যার মধ্যে রয়েছে এক শিশু। আর এদিন আহত হয়েছে ১১৩ জন।

জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে পাঁচটি প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঈদে বিভিন্ন মহাসড়ক ও ফেরিঘাটে তীব্র যানজটের কারণে ব্যয় হওয়ায় ফাঁকা রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টার কথা বলা হয়। এর পাশাপাশি দীর্ঘ ছুটির কারণে সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালনে উদাসিনতাকেও দায়ী করে জাতীয় কমিটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের বারবার তাগিদের কারণে চালকের অন্যমনষ্কতা ও অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দিতে বাড়তি ট্রিপ দেয়ার কারণে চালকের সাময়িক শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্যহীনতাও দায়ী ছিল সড়ক দুর্ঘটনায়। তাছাড়া দ্রুত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ওভারটেকিংয়ের ক্ষেত্রে চালকদের মাঝে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করার প্রবণতাকে দায়ী করা হয় তাৎক্ষণিক জরিপে।