ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

ফারাক্কা খুলে দেয়ায় রাজবাড়ীতে ফের নদী ভাঙন আতঙ্ক

স্টাফ রিপোর্টার: ফারাক্কা বাঁধের গেট খুলে দেয়াতে প্রতি তিন ঘন্টায় দুই সে.মি. করে পানি বাড়ছে পদ্মা নদীতে। এরই মধ্যে কুষ্টিয়া জেলার পদ্মা তীরবর্তী দুটি ইউনিয়নের ৩০ টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।
রাজশাহীতেও নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। কদিন আগের বন্যার ধকল কাটিয়ে না উঠতেই নতুন করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে।

পদ্মায় পানি বাড়তে থাকায় রাজবাড়ীতেও আবার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে সদর উপজেলার মিজানপুর, বরাট, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে আবারো বন্যা ও নদী ভাঙন দেখা দিতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা ‘রাজবাড়ী টুডে’কে জানিয়েছেন ফারাক্কার গেট খোলাতে প্রতি তিন ঘন্টায় দুই সে.মি. করে পানি বাড়ছে পদ্মায়। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করবে। ফলে নতুন করে আবার বন্যা দেখা দিবে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে।
এমনটি হলে রাজবাড়ীতেও দেখা দিবে বন্যা ও নদী ভাঙন। গেলো কয়েক সপ্তাহের বন্যায় পদ্মা নদী চলে এসেছে রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধের ১৫০ ফুটের মধ্যে।

শহরতলির মিজানপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকা, উড়াকান্দা, অন্তরমোড় এলাকায় বেশ কিছু এলাকা রয়েছে ভাঙন ঝুঁকিতে। ফারাক্কার পানির স্রোতে এসব এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
বরাট ইউনিয়নের বাসিন্দা কাজী শিহাব রাজবাড়ী টুডে’কে বলেন, ‘বারবার নদী ভাঙতে ভাঙতে পদ্মা এখন শহর রক্ষা বাঁধের একেবারেই নিকটে চলে এসেছে। কিন্তু কেউই দেখার নাই। কোন স্থায়ী পদক্ষেপই নেয়া হচ্ছে না নদী ভাঙন ঠেকাতে।’

গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চার থেকে পাঁচটি গ্রামে কয়েক’শ একর জমি পাঁচ শতাধিক বসত বাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দৌলতদিয়ার চার নম্বর ফেরি ঘাটটি এরই মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্টরা।
দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মন্ডল বলেন, আগের দফায় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় নাই, অনেকেই খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে। পর্যাপ্ত সাহায্য না পেলে নদী ভাঙা মানুষদের দুর্ভোগ চরমে উঠবে। তার ওপর যদি ফারাক্কা খুলে দেয়ায় পদ্মায় নতুন করে পানি বাড়ে তাহলে আবারো ভাঙনের আশঙ্কা করছেন নুরুল ইসলাম মন্ডল।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

ফারাক্কা খুলে দেয়ায় রাজবাড়ীতে ফের নদী ভাঙন আতঙ্ক

আপডেটের সময় : ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: ফারাক্কা বাঁধের গেট খুলে দেয়াতে প্রতি তিন ঘন্টায় দুই সে.মি. করে পানি বাড়ছে পদ্মা নদীতে। এরই মধ্যে কুষ্টিয়া জেলার পদ্মা তীরবর্তী দুটি ইউনিয়নের ৩০ টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।
রাজশাহীতেও নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। কদিন আগের বন্যার ধকল কাটিয়ে না উঠতেই নতুন করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে।

পদ্মায় পানি বাড়তে থাকায় রাজবাড়ীতেও আবার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে সদর উপজেলার মিজানপুর, বরাট, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে আবারো বন্যা ও নদী ভাঙন দেখা দিতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা ‘রাজবাড়ী টুডে’কে জানিয়েছেন ফারাক্কার গেট খোলাতে প্রতি তিন ঘন্টায় দুই সে.মি. করে পানি বাড়ছে পদ্মায়। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করবে। ফলে নতুন করে আবার বন্যা দেখা দিবে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে।
এমনটি হলে রাজবাড়ীতেও দেখা দিবে বন্যা ও নদী ভাঙন। গেলো কয়েক সপ্তাহের বন্যায় পদ্মা নদী চলে এসেছে রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধের ১৫০ ফুটের মধ্যে।

শহরতলির মিজানপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকা, উড়াকান্দা, অন্তরমোড় এলাকায় বেশ কিছু এলাকা রয়েছে ভাঙন ঝুঁকিতে। ফারাক্কার পানির স্রোতে এসব এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
বরাট ইউনিয়নের বাসিন্দা কাজী শিহাব রাজবাড়ী টুডে’কে বলেন, ‘বারবার নদী ভাঙতে ভাঙতে পদ্মা এখন শহর রক্ষা বাঁধের একেবারেই নিকটে চলে এসেছে। কিন্তু কেউই দেখার নাই। কোন স্থায়ী পদক্ষেপই নেয়া হচ্ছে না নদী ভাঙন ঠেকাতে।’

গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চার থেকে পাঁচটি গ্রামে কয়েক’শ একর জমি পাঁচ শতাধিক বসত বাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দৌলতদিয়ার চার নম্বর ফেরি ঘাটটি এরই মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্টরা।
দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মন্ডল বলেন, আগের দফায় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় নাই, অনেকেই খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে। পর্যাপ্ত সাহায্য না পেলে নদী ভাঙা মানুষদের দুর্ভোগ চরমে উঠবে। তার ওপর যদি ফারাক্কা খুলে দেয়ায় পদ্মায় নতুন করে পানি বাড়ে তাহলে আবারো ভাঙনের আশঙ্কা করছেন নুরুল ইসলাম মন্ডল।