ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন রাজবাড়ীতে মাদকদ্রব্যর অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল আটক রাজবাড়ী শহর রক্ষা প্রকল্প (ফেইজ-২) বাস্তবায়ন বিষয়ক সাধারণ সমন্বয় সভা সন্ধ্যার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী রামকান্তপুর ইউনিয়ন ও পৌর নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোহেল রানা। ঈদুল ফিতর’ উপলক্ষে চন্দনী ইউনিয়বাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-শাহিনুর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মীর সজল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেঈদের শুভেচ্ছা কাজী ইরাদত আলীর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

মুহিতুল ইসলামের সাহসী ভূমিকা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬
  • ৩৩২ ভিউয়ের সময়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা এএফএম মুহিতুল ইসলামের সাহসী ভূমিকার প্রতি আজ গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যাক্তিগত সহকারি এএফএম মুহিতুল ইসলাম আজ দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্তেকাল (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন) করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৩।
প্রধানমন্ত্রী এক শোকবার্তায় তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, মুহিতুল ছিলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই কালো রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ঘটে যাওয়া ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য ও নির্মম হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষর্দর্শী।
তিনি বলেন, মুহিতুল সে সময়ে ঘাতকদের হাত থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেছিলেন। ঘাতকরা তার হাত থেকে রাসেলকে ছিনিয়ে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।
তিনি বলেন, মুহিতুলের মৃত্যুতে আমরা আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের একজন বিশ্বস্ত ঘনিষ্ঠজনকে হারালাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে যখন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, মুহিতুল তখন ছিলেন বঙ্গন্ধুর ব্যাক্তিগত সহকারি। তিনি ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা।
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ঘটে যাওয়া ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় ১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর মুহিতুল রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একজন প্রত্যক্ষর্দশী হিসাবে একটি মামলা করেন।
সূত্র: কালের কন্ঠ

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

Meraj Gazi

জনপ্রিয় পোস্ট

রামকান্তুপুর ইউয়িনের মোহনশাহ’র বটতলার গোল চত্বর এর উদ্বোধন

মুহিতুল ইসলামের সাহসী ভূমিকা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা এএফএম মুহিতুল ইসলামের সাহসী ভূমিকার প্রতি আজ গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যাক্তিগত সহকারি এএফএম মুহিতুল ইসলাম আজ দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্তেকাল (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন) করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৩।
প্রধানমন্ত্রী এক শোকবার্তায় তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, মুহিতুল ছিলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই কালো রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ঘটে যাওয়া ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য ও নির্মম হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষর্দর্শী।
তিনি বলেন, মুহিতুল সে সময়ে ঘাতকদের হাত থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেছিলেন। ঘাতকরা তার হাত থেকে রাসেলকে ছিনিয়ে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।
তিনি বলেন, মুহিতুলের মৃত্যুতে আমরা আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের একজন বিশ্বস্ত ঘনিষ্ঠজনকে হারালাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে যখন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, মুহিতুল তখন ছিলেন বঙ্গন্ধুর ব্যাক্তিগত সহকারি। তিনি ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা।
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ঘটে যাওয়া ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় ১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর মুহিতুল রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একজন প্রত্যক্ষর্দশী হিসাবে একটি মামলা করেন।
সূত্র: কালের কন্ঠ